Events
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপিত
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে ১৫ জুলাই ২০২৬ তারিখ বুধবার সকালে নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় সঙ্গীতের সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)-এর মাননীয় চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে আকাশে বেলুন উড়িয়ে দিবসটির উদ্বোধন ঘোষণা করেন ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ডা. মাহাবুবুর রহমান। দিবসটির উদ্বোধন ঘোষণা করে ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ডা. মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া, জমিদাতাসহ যাঁরা অবদান রেখেছেন তাঁদের অবদানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।’এরপর একটি র্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালি শেষে নতুন প্রশাসনিক ভবনের পাশে বৃক্ষরোপণ করেন অতিথিবৃন্দ। এরপর ২০তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষ্যে ২০ পাউন্ডের একটি কেক কাটা হয়। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা) ড. মো. আশরাফুল আলম, প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) খন্দকার নাজমুল হাসান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর মো. তানজিল হোসেন। সবশেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটরিয়ামে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হওয়ার কথা থাকলেও কাতারের মাননীয় আমীর এর মৃত্যুর কারণে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক জাতীয় শোক ঘোষণা করায় তা স্থগিত করা হয়। উল্লেখ্য ৩ জুন বিশ্ববিদ্যালয় দিবস হলেও সেই সময় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ১৫ জুলাই ২০২৬ তারিখে দিবসটি উদযাপন করা হয়।
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ দিনব্যাপী ‘৪র্থ আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব ২০২৬’ শুরু
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের আয়োজনে সাত দিনব্যাপী ‘৪র্থ আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব ২০২৬’ শুরু হয়েছে। নতুন কলা ভবনের নীচ তলায় নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিভাগে ১২ জুলাই ২০২৬ তারিখ রবিবার বিকালে নাট্যোৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।প্রধান অতিথি মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘যে দেশে জ্ঞানীর সম্মান হয় না, সেদেশে জ্ঞানীর জন্ম হয় না। প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব আবুল হায়াত একজন অনন্য প্রতিভার অধিকারী, জননন্দিত অভিনেতা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, প্রেরণার বাতিঘর। তাঁকে বিশেষায়িত করার ভাষা আমার জানা নেই, আমি তাঁর সন্তানতুল্য। আমি আশা করি এই বিভাগের শিক্ষার্থীরা একেকজন আবুল হায়াত তৈরি হবে। তিনি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে আসায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধার সাথে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘ নাট্যকলা ও পরিবেশনা একটি সংস্কৃতি, একটি শিল্প। আমাদের অভিনয় শিল্পী ও কলা কুশলীরা দেশ বিদেশে অভিনয় ও পরিবেশনার স্বাক্ষর রেখে আমাদেরকে তুলে ধরতে পারেন।’ চতুর্থ আন্তর্জাতিক নাট্যোৎবের সার্বিক সফলতা কামনা করে মাননীয় উপাচার্য প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষ করেন। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন ঘোষণা করেন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ইস্রাফীল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের প্রফেসর ড. আরিফ হায়দার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন নাট্যোৎব আয়োজন কমিটির সদস্য-সচিব, সংশ্লিষ্ট কোর্স শিক্ষক, নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাজহারুল হোসেন তোকদার। সভাপতিত্ব করেন নাট্যোৎব আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক ও বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. ইসমত আরা ভূঁইয়া ইলা। নাট্যোৎসবের উদ্বোধনী পর্ব সঞ্চালনা করেন নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সৈয়দ মামুন রেজা।অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে ‘নাট্যজন সম্মাননা’ প্রদান করা হয় বাংলাদেশের প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব আবুল হায়াতকে। বিশ^বিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন এই সম্মাননা প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব আবুল হায়াত-এর হাতে তুলে দেন। সম্মাননা গ্রহণ করে অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব আবুল হায়াত আবেগাপ্লুৎ হয়ে পড়েন। সম্মাননা প্রদানের জন্য জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সম্মাননা প্রাপ্তি কাজের স্বীকৃতির সাথে সাথে কাজের প্রতি দায়িত্বও বাড়িয়ে দেয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। ৪র্থ আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসবে মোট সাতটি নাটক পরিবেশিত হবে। ১২ জুলাই থেকে ১৮ জুলাই ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত প্রতিদিন সন্ধ্যা ০৭.০০ ঘটিকায় নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিভাগের জিয়া হায়দার ল্যাব (পুরাতন কলা ভবন)-এ নাটক পরিবেশিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের ২০২৩-২০২৪ সেশনের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার অংশ হিসেবে এই নাট্যোৎসব অনুষ্টিত হচ্ছে। শাহমান মৈশান রচিত, সনজিত কুমার দের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায়, ঢাকার ক্ষ্যাপাটে প্রযোজনা দল কর্তৃক নাটক ‘ভাষা অথবা প্রেমের রাজনৈতিক বিপর্যয়’ প্রথম দিন পরিবেশিত হবে। এরপর ধারাবাহিকভাবে জাফরিন হক তরুর পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় মার্কণ্ডেয় পুরাণের ‘রক্তবীজ বধ’ কাহিনী এবং ঐতিহ্যবাহী কালিকাচের নাট্য আঙ্গিক অবলম্বনে নাটক ‘কালিকা’; লী ব্লেজিং রচিত, মোহাম্মদ মিজারুল কায়েসের অনুবাদ, সামিয়া সুলতানা চারুর পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় নাটক ‘ইনডিপেন্ডেন্স’; ইয়াজো ইয়ামামাতো রচিত, প্রফেসর আব্দুস সেলিমের অনুবাদ, মো. শাহিন আলমের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় নাটক ‘একশ বস্তা চাল’; বার্টোল্ড ব্রেখট এর আসাদুজ্জামান নূর রূপান্তরিত, মো. শাকিল আহমেদের পরিকল্পনা ও নিদের্শনায় নাটক ‘দেওয়ান গাজীর কিসসা’; শওকত ওসমান রচিত, হাবিবা আক্তার পিংকির পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় নাটক ‘ক্রীতদাসের হাসি’ এবং সবশেষে সাদাত হাসান মান্টোর, তুষার রায়ের নাট্যরূপ, রাজা দের পরিচালনা ও নির্দেশনায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কাঁকিনাড়া প্রযোজনা দলের পরিবেশনায় নাটক ‘পঞ্চমীর চাঁদ’ পরিবেশিত হওয়ার মধ্য দিয়ে শেষ হবে চতুর্থ আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব- ২০২৬।
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী বর্ণাঢ্যভাবে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত
‘নববর্ষের ঐকতান গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যায়ে বর্ণাঢ্যভাবে দুই দিনব্যাপী বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদযাপিত হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে ১ বৈশাখ ১৪৩৩ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল ২০২৬) সকালে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে বৈশাখী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, নানা বয়সের দর্শনার্থীরা শোভাযাত্রায় স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেন।গাহি সাম্যের গান মঞ্চ থেকে শুরু হয়ে বৈশাখী শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আশ-পাশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে গাহি সাম্যের গান মঞ্চের সামনে এসে শেষ হয়। বৈশাখী সাজে এই শোভাযাত্রা বাদ্যের তালে তালে এগিয়ে চলে, হাতে হাতে ছিল বিভিন্ন প্রকার আকর্শনীয় মুখোশ। এছাড়া পাখির শিল্পকাঠামো বৈশাখী, ঘোড়ার গাড়ি শোভাযাত্রাকে দেয় বাঙালির চিরায়ত আবহ। এরপর গাহি সাম্যের গান মঞ্চে শুরু হয় বিভিন্ন প্রকার পরিবেশনা। এসময় নববর্ষ উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করেন মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। পুরস্কার প্রদানকালে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। এসময় তিনি সকলের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। মাননীয় উপাচার্য বলেন, ‘প্রত্যেক জাতির সাংস্কৃতিক জীবনে নানা ধরণের উৎসব পালিত হয়ে থাকে, আমরাও নানা উৎসব পালন করে থাকি। বাংলা নববর্ষ আমাদের প্রাণের উৎসব। সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সার্বজনিন উৎসব। আমাদের প্রাণের মিলন মেলা বৈশাখী উৎসব। বৈশাখী মেলা ও উৎসব বাঙালির নিজস্ব সম্পদ। দুই দিনব্যাপী আয়োজনে বাঙালির বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়েছে। এই ঐতিহ্যগুলো কালের আবর্তে হারিয়ে যেতে বসেছে। বর্তমান প্রজন্মকে বাংলার সেই ঐতিহ্যকে স্মরণ করাতেই আমাদের এই আয়োজন।’এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী, কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ-সুখন), আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান, প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান, পরিবহণ প্রশাসক ও পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. আহমেদ শাকিল হাসমী, সঙ্গীত বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপন কমিটির সদস্য-সচিব প্রফেসর ড. সুশান্ত কুমার সরকার। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বাংলা নববর্ষ উদযাপনে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও গাহি সাম্যের গান মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় লাঠি খেলা, ধুয়া গান (বিলুপ্ত প্রায়), বৈশাখী গান ও বাউল গান, আবৃত্তি, বৈশাখী নৃত্য, রম্য বিতর্ক এবং গম্ভীরা। গম্ভীরার নির্দেশনা ও অভিনয়ে ছিলেন থিয়েটার এন্ড পারফরমেন্স স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দীন এবং ফিল্ম এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মনোজ কুমার প্রামাণিক। এছাড়া গম্ভীরায় সহযোগী শিল্পী হিসেবে সঙ্গীত বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এদিকে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার শুরুতে গত ১৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সোমবার ফিতা কেটে বৈশাখী মেলা ও আয়োজনের উদ্বোধন করেন মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। মেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মোট ৪০টি স্টল বসেছে। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন প্রকার ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর চৈত্রসংক্রান্তি ১৪৩২ উদযাপন উপলক্ষ্যে (১৩ এপ্রিল ২০২৬) সোমবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের জয়ধ্বনি মঞ্চের সামনে ঘুড়ি উড়ানো হয়।
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের আয়োজনে ‘বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়। ০৩ মে ২০২৬ তারিখ রবিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ ভবনে এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনীপর্বে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রদর্শনীর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আজকে কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করার মাধ্যমে তাদেরকে অনুপ্রাণিত করা হয়েছে। একইসাথে যাঁরা আমাদের সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন সেই প্রখ্যাত শিল্পীদের নামে পুরস্কারের নামকরণ করায় তাঁদের স্মরণও করা হচ্ছে। শিক্ষাক্ষেত্রে চারুকলার অবদান কোনো অংশে কম নয়। সমাজ ও সংস্কৃতিকে উন্নয়নের জন্য চারুকলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।’ সমাজ এবং সংস্কৃতি দ্রুত পরিবর্তনশীল উল্লেখ করে মাননীয় উপাচার্য বলেন, ‘আমরা যেন তথ্য প্রযুক্তির প্রভাবে আমাদের ঐতিহ্যগত সংস্কৃতি থেকে হারিয়ে না যাই। আজ থেকে ৪০ বছর আগে আমাদের সমাজ যেমন ছিল তার অনেকটাই পরিবর্তন হচ্ছে। আবার আগামী ৪০ বছর পরে এখন থেকেও পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে। তাই তোমাদের কৃতি শিক্ষকগণ সমাজে যেভাবে অবদান রাখছেন তোমরাও তেমনি বাংলার হাজার বছরের সংস্কৃতি যেন হারিয়ে না যায়। তোমাদের কাজের মাধ্যমে ধরে রাখতে পারলে পরবর্তী প্রজন্ম এখান থেকে অনেক মূল্যবান উপাদান পাবে। আমি বিশ্বাস করি তোমাদের শিক্ষকগণ যেভাবে গড়ে তুলছেন এখান থেকে তোমরা শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন, এস এম সুলতান, পটুয়া কামরুল হাসানের মতো শিল্পী তৈরি হবে; যারা দেশের জন্য বিশ্বের যেকোন জায়গা থেকে সুনাম বয়ে আনবে। চারুকলার মাধ্যমে মানুষের মাঝে সৃজনশীলতা ও নান্দনিকতা তৈরি করা যায়। এই সৃজনশীলতা ও নান্দনিকতা শিক্ষার্থীদের মাঝে তৈরির পাশাপাশি সমাজেও যেন এর প্রভাব তৈরি করা যায়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিজেদের উৎকর্ষতা অর্জনের সাথে সাথে সমাজ তথা দেশের উন্নতি লাভ করা সম্ভব বলে আমি মনে করি।’ বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী ও চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ-সুখন)। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চারুকলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাসুম হাওলাদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চারুকলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. তপন কুমার সরকার। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ২০২৬ এ ড্রইং এন্ড পেইন্টিং, গ্রাফিক ডিজাইন ও প্রিন্টমেকিং মোট তিনটি স্ট্রীমে ১৬ জন শিক্ষার্থীকে তাদের নিজ নিজ শিল্পকর্মের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার প্রদান করেন। ড্রইং এন্ড পেইন্টিং-এ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন পুরস্কার পেয়েছেন সিনথিয়া আক্তার শান্তা, শিল্পী এস এম সুলতান পুরস্কার পেয়েছেন অরিন সাহা, নিরীক্ষাধর্মী পুরস্কার পেয়েছেন বিশাল পাল এবং সম্মান পুরস্কার পেয়েছেন সৌভিক ঢালী ও স্বপ্নীল পাল। গ্রাফিক ডিজাইনে শিল্পী কামরুল হাসান পুরস্কার পেয়েছেন তাশফিয়া সামিহা সুপ্তি, শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী পুরস্কার পেয়েছেন হাসিব সিদ্দিকী, নিরীক্ষাধর্মী পুরস্কার পেয়েছেন ইসরাত জাহান অনন্যা ও সম্মান পুরস্কার পেয়েছেন মুন্নি চক্রবর্তী। প্রিন্ট মেকিং এ শিল্পী শফিউদ্দিন আহমেদ পুরস্কার পেয়েছেন জুবায়ের আহমেদ, শিল্পী মোহাম্মদ কিবরীয়া পুরস্কার পেয়েছেন ফারিয়া কবীর, নিরীক্ষাধর্মী পুরস্কার পেয়েছেন রিপন রায় ও সম্মান পুরস্কার পেয়েছেন থোয়াই অং সিং মারমা ও তাসনিম আরা। এছাড়া সেরা মাধ্যম পুরস্কার (পেন্সিল) সামং মারমা ও মাধ্যম পুরস্কার (পেন্সিল) সম্মান মো. সাদমান হাবিব সামি। প্রদর্শনীতে চারুকলা বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীদের আকাঁ ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে।
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা অনুষদ ভবন ও বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদ ভবনের মাঝে এই ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল)-এর নবনির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত সিন্ডিকেট সদস্য ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান লিটন। সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। মাননীয় প্রধান অতিথিকে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য ও অতিথিবৃন্দ। প্রধান অতিথি নবনির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত সিন্ডিকেট সদস্য ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান লিটন তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, ‘বৃহত্তর ময়মনসিংহ সাংস্কৃতিক ফোরামের ছোট্ট ঘর থেকে শুরু করে আজ বিশ্ববিদ্যালয় এই অবস্থায় এসেছে। আমি যখনই এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আসি তখনই মনে হয় কী থেকে কোন পর্যায়ে এসেছে এই বিশ্ববিদ্যালয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে এসে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করিয়েছিলাম। দীর্ঘ ১৭ বছর এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে পারি নি। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ভালো। আর এটা সম্ভব হয়েছে আপনাদের সকলের সহায়তায়। তবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে। শিক্ষার্থীর অনুপাতে শিক্ষক সংখ্যা কম। ভবনগুলোর মাঝে দূরত্ব কম, সবুজায়নের অভাব রয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়তন কম, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেবর বাড়াতে জমি অধিগ্রহণ করবো। জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয় এখন যেখানে আছে ভবিষ্যতে আরও স্ট্যান্ডার্ড ও দেশ-বিদেশে র্যাংকিংএ আরও এগিয়ে নিতে চাই।’সভাপতি মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা রমজান মাসে যেভাবে সংযম পালন করি, তা বছরের অন্য সময়ও সংযম পালন করতে পারলে আমরা যেমন সমাজ চাই, তেমন সমাজ গড়তে পারবো।’ শত ব্যস্ততার মাঝেও অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ায় মাননীয় প্রধান অতিথিকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘গত ১৭ বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের যেমন উন্নতি হওয়ার কথা, তা হয় নি। বিশ্ববিদ্যালয়ে বাজেট ও জনবল সংকট রয়েছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তাঁর সন্তান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান জাতীয় কবির নামে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়কে অত্যন্ত পছন্দ করেন এবং নিশ্চয়ই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে নজর দিবেন।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলকে কবি নজরুলের দর্শন ধারণ করার আহ্বান জানিয়ে এবং ইফতার ও দোয়া মাহফিল আয়োজনে যারা কাজ করেছেন সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে সভাপতি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী। ইফতার ও দোয়া মাহফিল আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ও কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, ইফতার ও দোয়া মাহফিল আয়োজক কমিটির সদস্য-সচিব ও ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার বক্তব্য রাখেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান। এসময় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদীয় ডিন, বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও দপ্তর প্রধানগণসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। এবারই প্রথম বিশ্বদ্যিালয়ের আবাসিক ও অনাবাসিক সকল শিক্ষার্থীসহ, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এই ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন। ইফতার ও দোয়া মাহফিলে দোয়া পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মো. আব্দুল হাকীম।
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে সাত দিনব্যাপী ‘১০ম বার্ষিক নাট্যোৎসব ২০২৬’ শুরু
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের আয়োজনে সাত দিনব্যাপী ‘১০ম বার্ষিক নাট্যোৎসব ২০২৬’ শুরু হয়েছে। নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের জিয়া হায়দার ল্যাব (পুরাতন কলা ভবন)-এর সামনে ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ সোমবার দুপুরে নাট্যোৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নাট্যোৎসবের উদ্বোধন করেন।প্রধান অতিথি তাঁর উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, ‘নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থীরা সমাজের যেকোন বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠীকে একত্রিত করার সক্ষমতা অর্জন করেছে। সাহিত্য, নাটক, সিনেমা এগুলো হলো সমাজের দর্পণ। সমাজের সকল ধরণের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সহজ ও আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরা হয় নাটকের মাধ্যমে। এরফলে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ বুঝতে পারে। এই নাটক যেহেতু তোমাদের পরীক্ষার অংশ তাই এটা তোমাদের জন্য একটা প্রশিক্ষণ। তবে ভবিষ্যতে তোমরা আরো ভালো কিছু আমাদের সমাজের জন্য উপহার দিতে পারবে। সমাজের অবিচার, অনাচার এবং অবহেলিত বিষয়গুলো এবং গ্রামীণ সমাজের সংস্কৃতিকে সকল শ্রেণির মাঝে তুলে ধরতে পারবে। আমি আশা করি তোমাদের পারফরমেন্সের মাধ্যমে জাতীয় কবির নামে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়কে অনেক উপরে নিয়ে যাবে।’ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান। স্ব^াগত বক্তব্য রাখেন নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের সংশ্লিষ্ট কোর্স শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক নুসরাত শারমিন। সভাপতিত্ব করেন নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. ইসমত আরা ভূঁইয়া ইলা। নাট্যোৎসবের উদ্বোধনী পর্ব সঞ্চালনা করেন নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাজহারুল হোসেন তোকদার।দিবসটি উপলক্ষ্যে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ভবন থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরনো কলা ভবনে এসে শেষ হয়। ১০ম নাট্যোৎসবে প্রতিদিন দুইটি করে সাতদিনে মোট ১৪টি নাটক পরিবেশিত হবে। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টা এবং রাত ৮:৩০ টায় নাটক আরম্ভ হবে। বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের নির্দেশনা, পরিচালনা ও অংশগ্রহণে এই নাটকগুলো মঞ্চায়িত হচ্ছে।
